ছবি: সংগ্রহীত
পৃথিবীতে সবার আগে এবং সবচেয়ে দ্রুত মানুষের মন জয় করতে পারে একমাত্র সুর দিয়ে, আর সেই সুর হতে পারে ভিন্ন রকম। আল্লাহ এই কণ্ঠ বা সুর সবাইকে দিলেও মায়ায় বাঁধা কণ্ঠ সবার দেয়না। আর এটা যারা পায় তারা অবশ্যই একজন ভাগ্যবান মানুষ। কিন্তু মানুষকে আমরা কিভাবে চিন্তা করি আর অবশ্যই সেটা আচরণগত দিক। প্রত্যেক মানুষকে আমরা তার আচরণগত দিকটা যেমন ভালো আশা করি তেমনি একজন কণ্ঠ শিল্পীর কাছথেকে আরো বহুগুন আশা করা অসম্ভবের কিছুনা। এতো কথা বলার একটাই কারণ আর সেই ব্যাক্তিটা হলো আমাদের মাইনুল আহসান নোবেল। যাকে এত প্রশংসা করেও চেম্পিয়ান করেননি। এটা যে একটা টিভি শো চালানোর অন্যতম কঠিন বুদ্ধি তা সাধারণ মানুষের চিন্তার বাইরে। এই অবুঝ সাধারণ মানুষগুলোই নোবেলকে জনপ্রিয়তার জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে চলছে। আজকাল নর্তকী বানানোর রিয়ালিটির শোতে যেমন সত্যিকারের সুন্দরীর জায়গা হয়না তেমনি কণ্ঠ শিল্পী বানানোর শোতে সত্যিকারের কণ্ঠ উঠে আসেনা। যা আসে তা নিতান্তই লোক দেখানো।
কি আছে নোবেলের কণ্ঠে, যে কিনা সব কথা চাবিয়ে চাবিয়ে উচ্চারণ করে, ঠিকমত র উচ্চারণ করতে পারেনা যার সুরে নিজস্ব কোনো মায়া নাই। অন্যের গান ছাড়া কোনো গান মায়া লাগিয়ে গাইতে পারেনা। তার কিসের এত দাম। কে তাকে দাম দেয়, কারা তাকে দাম দেয়, কিসের জন্য দেয়। একথা কেউ ভাবেনি জন্যই আজ লিজেন্ডদেরও গালি শুনতে হয়। কিভাবে এই বেয়াদব মার্কা পোলাপান এতো সাহস পায়। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় নেশা হচ্ছে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া। আর এটা যাকে একবার পেয়ে বসেছে। সে এখান থেকে উঠে আস্তে পারেনা। আর নোবেলের মত নামধারী কণ্ঠ শিল্পী বলে, গান ছেড়ে দিবো। আরে বেটা তুমি গান ছাড়লে কারো কিচ্ছুই হবেনা। পৃথিবীতে এর আগে যত শিল্পীই গান ছাড়ার কথা বলেছে তাদের বেশির ভাগই কথা রাখতে পারেনি। তার কারণ মূলত একটাই -মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার নেশা।
নোবেলকে যে প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশিল্পী টাইটেল দিয়েছে তাদের প্রতি আগে থেকেই বাঙালিদের একটা দুর্বলতা রয়েছে। তাই বাঙালী বুঝতেই পারেনি নোবেল হচ্ছে গুটির চাল। আর সেই প্রতিষ্ঠান যখন নোবেলকে ছিলঃ দিয়েছে কণ্ঠ শিল্পীর তখন বাঙালী ভেবেছে 'আহা কি সোনার জিনিসটাইনা পেলাম'। আর তার দরুণই নোবেলের এহেন বেয়াদবিও সহ্য করতে হয়।
